ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশের শিল্প-সাহিত্য ও রাজনীতির একমাত্র ঠিকানা বাংলাদেশ গ্রন্থাগার ও তথ্য কেন্দ্র। তবে বেশ কয়েক বছর ধরেই যেন কমছিল এর জৌলুস। চাহিদা মাফিক বই না থাকায় মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলেন কলকাতার বাঙালিরা।
সম্প্রতি নতুন করে সেজে ওঠায় আবারও কোলাহল বাড়ছে সেখানে। বইয়ের কর্নারে জায়গা পাচ্ছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বইও। যা দেখে খুশি স্থানীয় গবেষকরা।
লকাতার জনবহুল পার্ক সার্কাস এলাকার তিন নম্বর সোহরাওয়ার্দী এভিনিউয়ের এই বাড়িটি মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এক ঠিকানা। প্রাচীন বাড়িটির নিচতলায় আছে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভাষা, শিক্ষা থেকে রাজনীতির বিষয়ভিত্তিক নানা স্বাদের বই।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরেই কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের তত্ত্বাবধানে গড়ে ওঠে এই গ্রন্থাগার ও তথ্য কেন্দ্রটি। তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে বরাবরই বদলেছে এখানে থাকা বইয়ের ধরণ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দেড় দশকে গ্রন্থাগারটি বিশেষ রাজনৈতিক ঘরানার বইয়ের ভিড়ে পরিণত হয়েছিল। ফলে বাংলাদেশের প্রকৃত তথ্য খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছিল।
তবে এখন বদলেছে প্রেক্ষাপট। নতুন করে সব ধরনের বই জায়গা পাচ্ছে এখানে। আগতদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে প্রবেশপথেই তৈরি করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ কর্নার’ নামে একটি আলমারি। বাংলাদেশের মূলধারার বইগুলো খুব সহজেই নজরে পড়ছে পাঠকের।
চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষক সৌমিত্র দস্তিদার বলেন, গত কয়েকমাস আমি এখানে আসছি। খোঁজঝবর নিচ্ছি কী ধরনের বই যায়। তাজউদ্দীন আহমেদকে নিয়ে আমি বই লিখেছি। একাত্তরে বাংলাদেশের মূল জায়গাটা কী ছিল সেটা নিয়ে এখনও অনেক গবেষণা করছি।
সংবাদ প্রতিদিনের ডেপুটি নিউজ এডিটর শীর্ষেন্দু চক্রবর্তী বলেন, কোনো ব্যক্তি বিশেষ নয়, আমরা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে চাই।
কলকাতার বাংলাদেশ গ্রন্থাগার ও তথ্য কেন্দ্রে বর্তমানে ২০ হাজারের মতো বই রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশি লেখকদের পাশাপাশি ভারতীয় লেখকদের বইও জায়গা পেয়েছে।
কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রেস সচিব তারিক চয়ন বলেন, ‘আমি এসে দেখেছি একটি নির্দিষ্ট দল বা নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির বই এখানে রাখা ছিল। অনেকের হয়তো আগ্রহ আছে ভিন্নমত, দল ও ভিন্ন ব্যক্তি সম্পর্কে জানার আগ্রহ আছে। সেরকম কিছু কিন্তু ছিল না। আমি চেষ্টা করছি সেটার মধ্যে একটি ভারসাম্য আনার।’
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৫০ জন পাঠক এই গ্রন্থাগারে বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণা নেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি বইও জায়গা পেয়েছে গ্রন্থাগারটিতে।
সম্প্রতি নতুন করে সেজে ওঠায় আবারও কোলাহল বাড়ছে সেখানে। বইয়ের কর্নারে জায়গা পাচ্ছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক বইও। যা দেখে খুশি স্থানীয় গবেষকরা।
লকাতার জনবহুল পার্ক সার্কাস এলাকার তিন নম্বর সোহরাওয়ার্দী এভিনিউয়ের এই বাড়িটি মানুষের কাছে গুরুত্বপূর্ণ এক ঠিকানা। প্রাচীন বাড়িটির নিচতলায় আছে বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, ভাষা, শিক্ষা থেকে রাজনীতির বিষয়ভিত্তিক নানা স্বাদের বই।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরেই কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের তত্ত্বাবধানে গড়ে ওঠে এই গ্রন্থাগার ও তথ্য কেন্দ্রটি। তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে বরাবরই বদলেছে এখানে থাকা বইয়ের ধরণ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দেড় দশকে গ্রন্থাগারটি বিশেষ রাজনৈতিক ঘরানার বইয়ের ভিড়ে পরিণত হয়েছিল। ফলে বাংলাদেশের প্রকৃত তথ্য খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছিল।
তবে এখন বদলেছে প্রেক্ষাপট। নতুন করে সব ধরনের বই জায়গা পাচ্ছে এখানে। আগতদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে প্রবেশপথেই তৈরি করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ কর্নার’ নামে একটি আলমারি। বাংলাদেশের মূলধারার বইগুলো খুব সহজেই নজরে পড়ছে পাঠকের।
চলচ্চিত্র নির্মাতা ও গবেষক সৌমিত্র দস্তিদার বলেন, গত কয়েকমাস আমি এখানে আসছি। খোঁজঝবর নিচ্ছি কী ধরনের বই যায়। তাজউদ্দীন আহমেদকে নিয়ে আমি বই লিখেছি। একাত্তরে বাংলাদেশের মূল জায়গাটা কী ছিল সেটা নিয়ে এখনও অনেক গবেষণা করছি।
সংবাদ প্রতিদিনের ডেপুটি নিউজ এডিটর শীর্ষেন্দু চক্রবর্তী বলেন, কোনো ব্যক্তি বিশেষ নয়, আমরা ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে চাই।
কলকাতার বাংলাদেশ গ্রন্থাগার ও তথ্য কেন্দ্রে বর্তমানে ২০ হাজারের মতো বই রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশি লেখকদের পাশাপাশি ভারতীয় লেখকদের বইও জায়গা পেয়েছে।
কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের প্রেস সচিব তারিক চয়ন বলেন, ‘আমি এসে দেখেছি একটি নির্দিষ্ট দল বা নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির বই এখানে রাখা ছিল। অনেকের হয়তো আগ্রহ আছে ভিন্নমত, দল ও ভিন্ন ব্যক্তি সম্পর্কে জানার আগ্রহ আছে। সেরকম কিছু কিন্তু ছিল না। আমি চেষ্টা করছি সেটার মধ্যে একটি ভারসাম্য আনার।’
সরকারি হিসাব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৫০ জন পাঠক এই গ্রন্থাগারে বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণা নেন। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে প্রকাশিত বেশ কয়েকটি বইও জায়গা পেয়েছে গ্রন্থাগারটিতে।